স্মার্ট সিটিজেনশিপ কার্ড ২০২৫
স্মার্ট সিটিজেনশিপ কার্ড ২০২৫: মোদি সরকারের আমলে দু’টি জল্পনা সর্বদা শোনা যায়। প্রথমটি হলো দেশজুড়ে এনআরসি হবে কি না এবং দ্বিতীয়টি হলো শুধুমাত্র নাগরিকত্বের জন্য কোনও স্মার্ট কার্ড ইস্যু হবে কি না? দুটি ক্ষেত্রেই সরকার একাধিকবার ইঙ্গিত দিয়েছে যে, এই পরিকল্পনা রয়েছে। কিন্তু কখনই স্পষ্ট কোনও উত্তর দিয়ে জল্পনা মেটানোর চেষ্টা করেনি। এমনকী, সংসদেও এসংক্রান্ত প্রশ্ন করা হলে উত্তর এসেছে, এখনই সেরকম কোনও পরিকল্পনা নিয়ে সরকার অগ্রসর হচ্ছে না।
বৈধ নাগরিকদের জন্য স্মার্ট সিটিজেনশিপ কার্ড ইস্যু:
কিছু দিন ধরে দেশজুড়ে যেভাবে নির্বাচন কমিশনের স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রবল বিতর্ক শুরু হয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে সরকারের অন্দরে নতুন একটি নাগরিকত্ব কার্ড চালু করা নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে। যেহেতু ভোটার কার্ড এবং আধার কার্ডকে বলা হয়েছে নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়, তাই বিরোধী রাজনৈতিক দল ও দেশবাসী জানতে চাইছে, তাহলে নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র কোনটা? বলা হচ্ছে জন্ম শংসাপত্র এবং পাসপোর্ট। এই দু’টিই নথি বেশিভাগ ভারতবাসীর কাছে নেই। প্রশ্ন উঠছে, তাহলে তারা কি নাগরিকত্বের প্রমাণ ছাড়া বসবাস করছেন? আধার কার্ড দেখিয়েই ভোটার কার্ড করা যায়, অথচ সেই আধার কার্ডই যদি নাগরিকত্বের প্রমাণ না হয়, তাহলে কীসের ভিত্তিতে সেটিকে গ্রহণ করা হচ্ছে? এহেন পরিস্থিতিতেই আবারও আলোচনা শুরু হয়েছে, দেশজুড়ে এসআইআর এবং জনগণনা হয়ে যাওয়ার পর শুধুমাত্র বৈধ নাগরিকদের জন্য স্মার্ট সিটিজেনশিপ কার্ড ইস্যু করা হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক কী বলেছেন?
সম্প্রতি তৃণমূল এমপি মালা রায়ের নাগরিকত্ব সংক্রান্ত একটি প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সংসদে জানিয়েছিল, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনে প্রত্যেক নাগরিককে বাধ্যতামূলকভাবে নথিভুক্ত করার ও তাকে সিটিজেনশিপ কার্ড দেওয়ার সম্পূর্ণ অধিকার দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রকে। এই উত্তর থেকেই স্পষ্ট, কেন্দ্র ফের ন্যাশনাল সিটিজেনশিপ কার্ড ইস্যু করার বিষয়টি ভাবছে।
আরও পড়ুন, নয়া আয়কর বিল প্রত্যাহার করে নিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন1


বিগত প্রায় ২ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ায় কাজের সঙ্গে যুক্ত। রাজ্য ও কেন্দ্রের সরকারি ও বেসরকারি চাকরির প্রতিবেদন লিখতে পারদর্শী।