BJP Win 2026
BJP Win 2026: নন্দীগ্রাম সমবায় নির্বাচনে বিজেপির নিরঙ্কুশ জয়: ২০২৬ বিধানসভার আগে কি হাওয়া বদলের ইঙ্গিত?
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নন্দীগ্রাম মানেই এক টানটান উত্তেজনা। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে ফের একবার শিরোনামে উঠে এলো এই জনপদ। সাম্প্রতিক সমবায় নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসকে (TMC) ধুয়ে মুছে সাফ করে দিয়ে ৯টি আসনের সবকটিতেই জয়লাভ করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)।
নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক গুরুত্ব
নন্দীগ্রাম কেবল একটি নির্বাচনী কেন্দ্র নয়, এটি বঙ্গ রাজনীতির এক মহাকাব্যিক লড়াইয়ের ক্ষেত্র। এই মাটি থেকেই ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তাই এই সমবায় নির্বাচনের ফলকে কেবল স্থানীয় জয় হিসেবে দেখছেন না রাজনৈতিক মহলের একাংশ; একে দেখা হচ্ছে একটি বিশেষ রাজনৈতিক সংকেত হিসেবে। (BJP Win 2026)
শঙ্কর ঘোষের কটাক্ষ ও রাজনৈতিক তর্জা
বিজেপির এই অভাবনীয় জয়ের পর স্বাভাবিকভাবেই উল্লাসে মেতেছেন গেরুয়া শিবিরের কর্মী-সমর্থকরা। এই জয়কে হাতিয়ার করে আসরে নেমেছেন বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো একটি মন্তব্যের রেশ টেনে তিনি কটাক্ষ করে বলেন, “শুভেন্দু অধিকারী আগেই নন্দীগ্রামে ওনাকে (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে) কাঁপিয়ে দিয়েছেন।” এই মন্তব্যটি বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ চর্চিত হচ্ছে।

২০২৬-এর আগে এটি কি বড় কোনো ইঙ্গিত?
যদিও সমবায় নির্বাচনের ফলাফল সবসময় বিধানসভা বা লোকসভা নির্বাচনের প্রতিফলন ঘটায় না, তবুও তৃণমূল স্তরের মানুষের মনের ভাব বুঝতে এটি সাহায্য করে। * বিজেপির মনোবল বৃদ্ধি: এই জয় নিশ্চিতভাবেই বিজেপির নেতা-কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করবে এবং ২০২৬-এর লড়াইয়ের আগে তাদের বাড়তি অক্সিজেন দেবে। * তৃণমূলের চ্যালেঞ্জ: রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই এলাকায় একটি আসনও না পাওয়া শাসক দল তৃণমূলের জন্য চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
উপসংহার
পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রতিটি ছোট-বড় জয় পরাজয় এখন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। নন্দীগ্রামের এই ফলাফল কি আগামী দিনে সারা রাজ্যের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বদলে দেওয়ার প্রথম ধাপ? সময় এর উত্তর দেবে।আপনার কী মনে হয়? এই জয় কি ২০২৬-এর নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে? কমেন্টে আমাদের জানান।

বিগত প্রায় ৫ বছর ধরে ডিজিটাল মিডিয়ায় কাজের সঙ্গে যুক্ত।
